Sunday, December 23, 2018

What should be the WATER TEMPERATURE

While not considered chemistry, water temperature needs to be mentioned. Fish are cold blooded, which means they cannot raise or lower their body temperature and their body temperature will be the same as the water around them. If a fish is kept outside of their normal temperature range they will became stressed and became diseased or die. The majority of fish are tropical, which means they come from tropical climates with water temperatures around 75°F. Even cold water species such as Goldfish cannot handle very cold water or sudden changes in temperature. Know your species of fish and their temperature requirements.

Temperature is perhaps the most potent of all the environmental factors controlling and governing the metabolism of animals. Water has a high thermal capacity compared to air; that is, it can absorb a large amount of heat energy for a small rise in temperature.  It, therefore, provides a thermally stable environment.
In aquarium, fish are largely denied the use of any behavioural regulation, and the aquarium design and management must compensate for this loss. Sudden change of temperature in the aquarium should be avoided. Such as thermal shocks are most likely to occur when fish are transferred from tank to tank or when they first arrive in the aquarium complex.  A simple rule is to float transfer containers plus fish in their new tanks until the temperature has equilibrated or alternatively to slowly mix the water in the container with that in the tank over half an hour or more. Increases in temperatures have the most distressing effect since respiration rate and excitability increase while the oxygen-carrying capacity of the water decreases. Such temperature increase in established tanks may result from refrigeration breakdown or thermostat malfunction.
The damage caused by faulty thermostat in a heated system can be minimized by employing the minimum wattage heaters required for the temperature control or by including a high temperature cutout in the circuit. This could simply be a second thermostat in series with the first, but set to a slightly higher temperature so that it is on all the time during normal operations. Such a thermostat should, however, be serviced regularly to ensure it does not stick on.
During winter months necessary heating arrangements may be made for tropical aquarium fish. A water heater of 5-6watts capacity is required per gallon of water. Heating equipment of the aquarium is basically an electric heating coil complete with thermostat to control it both containrd in glass tube.
This submerged in the aquarium, connected to the electricity supply and the built-in neon indicator. A thermometer is always kept inside the aquarium to monitor the temperature.  It is placed at the front where it can be easily seen.  It is best arranged heater and thermostat at opposite corners of the tank to get correct temperature readings of the aquarium water..


For ferther details about FISHERY you can check my Hindi youtube channel. Link given below.....
http://destyy.com/wKA3GA

Monday, December 17, 2018

রঙিন মাছের প্রজননের প্রকারভেদ

রঙিন মাছের প্রজনন বিভিন্ন প্রজাতির জন্য বিভিন্নরূপ। যাই হোক প্রজননের বৈশিষ্ট অনুযায়ী রঙিন মাছকে মূলত বাচ্চাপাড়া অন্তজ জনন(Live Bearers) গোষ্ঠী ও ডিমপাড়া বা অন্ডজ জনন(Egg Layerers) গোষ্ঠীতে ভাগ করা যায়।

প্রজননের আচরণ অনুযায়ী/ রঙিন মাছের প্রকারভেদ ঃ

  • বাচ্চাপাড়া বা অন্তজ জনন গোষ্ঠী ঃ
বাচ্চাপাড়া গোষ্ঠীর মধ্যে গাপ্পি, সোর্ডটেল, মলি, প্লাটি, গাম্বুসিয়া উল্লেখযোগ্য।


  • ডিমপাড়া বা অন্ডজ জনন গোষ্ঠী ঃ
ডিমপাড়া গোষ্ঠীর স্বকীয় বৈশিষ্টের জন্য এদেরকে পাঁচটি ছোট দলে ভাগ করা যেতে পারে।

১) ডিম আলগা ও ছড়ানো প্রকৃতির ( Egg Scatterers)ঃ
এই গোষ্ঠীর মাছ জলে এক সঙ্গে প্রচুর সংখ্যক ডিম পাড়ে ও জলে নিষিক্ত হয়। ডিম গুলো আলাদা আলাদা জলে ভাসে। ভাসতে ভাসতে কোন কিছুর গায়ে জমা হয় ও অনুকূল পরিবেশে ৮-১০ ঘন্টা পর ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয়। যেমন- বার্ব, টেট্রা, ড্যানিও জাতীয় মাছ।

২) ডিম আঠালো ও ছড়ানো প্রকৃতির ( Adhesive Egg Scatterers )ঃ
এই গোষ্ঠীর মাছ জলে ডিম পাড়ে। ডিমগুলো আঠালো প্রকৃতির হয় ও কোন কিছুর গায়ে আটকে যায়। অনুকূল পরিবেশে ৪৮-৭২ ঘন্টা পর ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয়। যেমন- গোল্ড ফিস, কাপ জাতীয় মাছ।

৩) ডিম স্থাপনকারী ( Egg Depositors)ঃ
এই গোষ্ঠীর মাছ জলজ উদ্ভিদের পাতা, শাখা, নুড়ি পাথর এমনকি কাঠের উপর আঠালো প্রকৃতির ডিম পাড়ে। অনুকূল পরিবেশে প্রায় ৭২ ঘন্টা পর ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয়। এদের সন্তান বাৎসল্য দেখা যায়। যেমন- অ্যাঞ্জেল, ডিসকাস, ফায়ার মাউথ, রামি রোজি, সাকার মাউথ ক্যাটফিশ ও ক্রোকোডাইল ফিশ জাতীয় মাছ।

৪) ডিম মুখে পরিস্ফুটিত হয় ( Mouth Brooders)ঃ
এই গোষ্ঠীর স্ত্রী-মাছ আধারের মাটি বা বালির মধ্যে গর্ত করে বাসা তৈরী করে ও তার মধ্যে ডিম পাড়ে। এই বাসাতেই নিষেক ক্রিয়া সম্পন্ন হয়। নিষিক্ত ডিম পুরুষ-মাছ মুখ গহ্বরে তুলে নেয় ও ডিম ফুটে বাচ্চা বের না হওয়া পর্যন্ত মুখ গহ্বরেই রাখে ও কোনপ্রকার খাদ্য গ্রহণ করে না। যেমন- তিলাপিয়া, আরোআনা, মালয়ী চিকলিড জাতীয় মাছ।

৫) ডিম বুদ্বুদের বাসায় ভাসমান প্রকৃতির( Bubble Nest Builders)ঃ
এই গোষ্ঠীর পুরুষ মাছ জলে লালার সাহায্যে বুদ্বুদ তৈরী করে যাকে বাবল নেস্ট বলে। এই বাবল নেস্টে স্ত্রী-মাছ ডিম পাড়ে ও পুরুষ মাছ ডিম গুলোকে নিষিক্ত করে। যেমন- গোরামী, ফাইটার জাতীয় মাছ।

মৎস চাষ বিষয়ে বিষদ জানতে আমার YOUTUBE CHANNEL অনুসরণ করুন।

Sunday, December 16, 2018

অ্যাকোরিয়াম পরিচর্যা ( for Hobbist only )


  • কাঁচ পরিস্কার ঃ
অ্যাকোরিয়ামের চার দেওয়ালের গায়ে একধরনের সবুজ শ্যাওলা জমা হয়। যদিও এই শ্যাওলা মাছেরা খেয়ে থাকে এবং ক্ষতিকারক নয়, তবুও মাঝে  মাঝে পরিস্কার করা দরকার। কারণ, এতে সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যায়। আর যে উদ্দেশ্য করা অর্থাৎ মাছের দৃশ্য দেখা, সেটাও ব্যাঘাত ঘটে।
সেই কারণে মাঝে মাঝেই পরিস্কার করা দরকার। অনেক সময় অ্যাকোরিয়ামের তলায় ছোট পাথরেও সবুজ ও বাদামি শ্যাওলা জন্মায়। যেসব অ্যাকোরিয়ামে সূর্যের আলো বেশি পড়ে, তাতে ঐ শ্যাওলা বেশি হয়। ঐ শ্যাওলা সরানোর পদ্ধতি হল, ছোট হাতজাল দিয়ে সমস্ত মাছ তুলে অন্য কোন জলভর্তি পাত্রে রাখতে হবে। এরপর অ্যাকোরিয়ামের অর্ধেক জল ফেলে দিয়ে বালি এবং পাথরকুচি ভালভাবে পরিস্কার জলে ধুয়ে আবার সাজাতে হবে।
অ্যাকোরিয়ামের কাঁচে যদি দাগ ধরে থাকে, তাহলে ভিজে কাগজ বা কাপড় দিয়ে ঘষে পরিস্কার করতে হবে। এতেও দাগ না উঠলে কাপড়ে সামান্য লবণ দিয়ে ঘষলে দাগ পরিষ্কার হয়ে যাবে। দাগ তোলার আধঘন্টা পরে অ্যাকোরিয়ামে আবার পরিষ্কার জল ভরতে হবে।


  • তলদেশের ময়লা পরিষ্কার ঃ
অ্যাকোরিয়ামের তলায় শ্যাওলা বা অন্যান্য ময়লা জমা থাকে। মাসে অন্তত পক্ষে দুবার এই ময়লা পরিষ্কার করা দরকার। মাছের সবটা খাবার মাছ রোজ খায় না। কিছু অবশিষ্ট অংশ জলে ভিজে অ্যাকোরিয়ামের তলায় বালি বা পাথরের ফাঁকে গিয়ে জমা হয়।
পরে সেটা পচে জল খারাপ করে দেয়। তাছাড়া মাছেরা যে মলত্যাগ করে সেটাও অ্যাকোরিয়ামের তলায় বালিতে অথবা পাথরের ফাঁকে জমা হয়ে জল নষ্ট করে। এসব কারণে প্রতি ১৫ দিন অন্তর অ্যাকোরিয়ামের তলাটা সাইফন করে পরিষ্কার করতে হয়। অ্যাকোরিয়ামের জল খারাপ হলে তা পাল্টানো দরকার। সম্পূর্ণ জল একসঙ্গে না পাল্টে, অর্ধেক পুরনো জল পাল্টে অর্ধেক নতুন জল দেওয়া দরকার। অ্যাকোরিয়ামে নতুন জল ভরে প্রতি ২০ লিটার জলে ১ ফোঁটা মিথিলিন ব্লু ( Methylene Blue) ঔষধটি দেওয়া দরকার। যে সমস্ত জলজ উদ্ভিদ অ্যাকোরিয়ামে লাগানো রয়েছে সেই সব গাছও  মাঝে  মাঝে বের করে পরিষ্কার জলে কয়েক বার ধোয়া দরকার। কোনো পাত্রে জল নিয়ে তাতে ১০০ মিলিগ্রাম পটাসিয়াম পারম্যাঙ্গানেট(Potassium Permanganate) গুলে ঐ জলে ৫ মিনিট সব জলজ উদ্ভিদকে ভিজিয়ে রাখতে হবে। তারপর আবার সেগুলিকে অ্যাকোরিয়ামের বালিতে পুঁতে দিতে হবে।


  • জলের পরিচর্যা ঃ 
জলের রং যদি ঘোলা হয়ে যায় অথবা বাদামি দেখায় তাহলে অবশ্যই জল পাল্টে দিতে হবে।

  • ওষুধ প্রয়োগ ঃ
অ্যাকোরিয়ামের জল যাতে দূষিত না হয় এবং মাছের শরীরে ছত্রাক জনিত রোগের আক্রমণ না ঘটে তার জন্য মেথিলিন ব্লু প্রতি সপ্তাহে সকালের দিকে ১ ফোঁটা প্রতি ৫ লিটার জলে প্রয়োগ করা দরকার।

অ্যাকোরিয়াম পরিচর্যার ক্ষেত্রে কিছু লক্ষণীয় বিষয় ঃ

  1. স্বাভাবিক অবস্থায় অ্যাকোরিয়ামের জলে কোনওরকম দুর্গন্ধ থাকবে না।
  2. অ্যাকোরিয়ামের ভেতরে উদ্ভিদের রং সবসময় উজ্জ্বল থাকবে। উদ্ভিদের কোনও অংশে যদি পচন ধরে তবে তখুনি সেই অংশ বাদ দিয়ে দিতে হবে। প্রয়োজনে সম্পূর্ণ গাছটি পাল্টে ফেলতে হবে।
  3. অ্যাকোরিয়ামের জল সবসময় স্বচ্ছ বা হাল্কা সবুজ হবে। জলস্তরের উপরাংশে কোনরকম ময়লাস্তর বা তৈলাক্ত পদার্থ থাকবে না।
  4. অ্যাকোরিয়ামের ভেতরে বালি ব্যবহার করলে লক্ষ্য রাখতে হবে সেই বালি স্তর যেন সবসময় পরিষ্কার থাকে। বালি স্তর যেন ঝুরঝুরে থাকে।
  5. সুস্থ স্বাভাবিক অবস্থায় মাছ চনমনে থাকবে এবং পাখনা সোজা রেখে চলাফেরা করবে।
  6. মাছের পেট থেকে কালো সুতোর মতো পায়খানা ঝুলবে না।
  7. অ্যাকোরিয়ামের মধ্যে কোনও মরা মাছ বা দুর্বল মাছ থাকবে না।

মৎস চাষ বিষয়ে বিষদ জানতে আমার YOUTUBE CHANNEL অনুসরণ করুন।

Tuesday, December 4, 2018

About Nitrogenous Waste in Water

Perhaps the most pronounced and damaging charges to water quality originate with the aquarium inhabitants themselves. In particular, water quality is impaired by the end products of nitrogen metabolism. These include ammonia (either as the gas NH3 or ammonium ion, NH4), urea, uric acid and other nitrogenous substances including proteins and amino acids.
 Ammonia, especially, is one of the most harmful substances. Higher percent of un-ionized NH3 prevails at higher pH and higher temperature. In ammonia poisoning, Gill becomes red, fish become darker in color and grasping at the surface layer. Acute toxicity levels = 0.4 ppm NH3. Chronic toxicity levels = 0.05 ppm. This is common in new aquarium when immediately stoked to full capacity. Ammonia can damage the gills at a level as small as 0.25 mg/lt. For immediate removal of ammonia, use ammonia detoxified such as Kordon's Amquel. Kordon Amquel removes ammonia, chloramines, chlorine, and many other organic toxins. Completely non-toxic, contains no formaldehyde, and will not affect dissolved oxygen levels. One teaspoon treats ten gallons. However, it is best left alone until the bacterial load is sufficient. Note that the bacterial phases will not take place unless the tank is initially stocked with feeder fish which can be removed after treatment. Test the water until the ammonia drops to nearly zero. At this time, we should notice an increase in the nitrite level. When the nitrites are gone, it will be safe to add fish.
 The conversion of the more toxic nitrogenous compounds to less toxic compounds is achieved through organisms residing in water treatment units such as filters. In some aquaria, algae are also used in nitrogen recycling. The process of combating the effects of nitrogenous waste products is facilitated by low stock density, a high water turn over, aeration or oxygenation of the water, frequent cleaning, removal of feces and waste food and by the provision of special water treatment facilities.
 Maintaining a population of bacteria that can convert ammonia and nitrite is an important part of the water chemistry, and the process is known as biological filtration. Biological filtration will occur naturally in most tanks that have been up and running for a couple of months. The better filters often contain a special area or wheel that is made specifically for providing an optimal habitat for growing these bacteria. While the bacteria will live in a traditional filter and on rocks etc. In the aquarium, the new filters harbor a much higher number and can therefore do a better job of removing ammonia and nitrites.
 If a fish tank is overcrowded, or the waste level gets too high through overfeeding or dead fish etc., even a properly functioning biological filter can be overwhelmed and toxic conditions can result. Periodically checking the ammonia and nitrite levels in your tank with a test kit will ensure that your biological filter is working correctly. Tanks that have a healthy plant population will also aid in the removal of nitrates. Because it takes weeks to months for a tank to grow a healthy population of bacteria, it is important that a tank be allowed to age before fish are added. After the tank ages several weeks with only a few hardy fish, more fish can be slowly added over a couple of months to make sure the biological filter is not overloaded.
 High levels of nitrate can be present in the water of wells contaminated from fertilizer, agricultural runoff, or sewage. These nitrates are dangerous to humans as well as livestock. Nitrates can be removed by reverse osmosis or specialized nitrate removing chemicals..


For ferther details about FISHERY you can check my Hindi youtube channel. Link given below.....

Monday, December 3, 2018

অ্যাকোরিয়ামের সৌন্দর্যে ব্যবহৃত কিছু জলজ উদ্ভিদ।।

অ্যাকোরিয়ামে ব্যবহৃত বেশির ভাগ জলজ উদ্ভিদ সাধারণত অ্যাকোরিয়ামেই বংশবিস্তার করতে সক্ষম।
  1. হাইগ্রোফিলা, ক্যাবোমবা্, লুডুইগিয়া, মাইরিওফাইলাম ইত্যাদি সরু ও লমবা কাণ্ড জলজ উদ্ভিদ শাখা বিভাজন পদধতিতে বংশবিস্তার করে। শাখা বা কাণ্ডের কোন অংশ কেটে অ্যাকোরিয়ামের তলদেশে রোপণ করলে নতুন চারা উৎপন্ন হয়।
  2. অ্যাকোরিয়ামে লিলি, ক্রিপটোকোরিন ইত্যাদির শাখা মুকুল কেটে লাগালেই নতুন চারা উৎপন্ন হয়।
  3. স্যাজিটিরিয়া, ভ্যালিসনেরিয়া, ইকাইনোডোরাস ইত্যাদি উদ্ভিদ সরু অনুভূমিক শাখা উৎপন্ন করে। মাটির সংম্পর্শে এই শাখায় মূল উৎপন্ন হয়। মূল উদ্ভিদ থেকে এই শাখা আলাদা হয়ে নতুন চারা উৎপন্ন করে।
  4. আমাজন সোর্ডপ্ল্যানট্ তার পুম্প বৃন্ত থেকে সরাসরি নতুন চারা উৎপন্ন করে।
  5. অ্যানাকারিস জাতীয় উদ্ভিদের কাণ্ডে নিয়মিত ব্যবধানে দুর্বল অংশের সৃষ্টি করে ও জলস্রোতে দুর্বল জায়গা থেকে খণ্ড বিচ্ছিন্ন হয়। প্রতিটি খণ্ড থেকে নতুন চারা উৎপন্ন হয়।
পোটামোগেটন, ম্পাইরোডেল্লা, মাইরিওফাইলাম ইত্যাদি জলজ উদ্ভিদের উইনটা্র বাড বা মুকুল জলে সুপত্ অবস্থায় থাকে ও গ্রীষ্মকালে সেই সকল বাড থেকে নতুন চারা উৎপন্ন হয়।

অ্যাকোরিয়ামে ব্যবহৃত জনপ্রিয় কিছু জলজ উদ্ভিদের কথা🏝

ওয়াটার উইস্টারিয়া (Water Wisteria) :
বিজ্ঞানসম্মত নাম -  হাইগ্রোফিলা ডিফরমিস(Hygrophila Difformis)
প্রাকৃতিক বিস্তার - দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া।
উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য -
  • পাতা ডিমবাকৃতির হয়। কাণ্ডের দুপাশে পরিবর্ত পদ্ধতিতে পাতা বিন্যস্ত থাকে।
  • জলে নিমজ্জিত পাতার রঙ ধূসর সবুজ ও জলের উপর থাকা পাতার কিনারা কালচে রঙের হয়। ফুলের রঙ গোলাপী, সাদা বা হালকা নীল হয়।

অ্যাপোনোগেটন (aponogeton) :
বিজ্ঞানসম্মত নাম - অ্যাপোনোগেটন ক্রিশপাস(Aponogeton Cripus)
প্রাকৃতিক বিস্তার - দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া।
উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য -
  • পাতা সমান ও বৃহদাকারের হয়। কিনারা ঢেউ খেলানো।
  • পাতার বর্ণ সবুজ হয় ও পাতায় জালিকাকার শিরাবিন্যাস পরিলক্ষিত হয়।
  • হলুদ বর্ণের ছোট ছোট ফুল হয়।মূল ক্ষুদ্রাকৃতির হয়।

অ্যারোউইড (Arrow weed) :
বিজ্ঞানসম্মত নাম - সাজিটেরিয়া সাজিটিফলিয়া(Sagittaria Sagittaefolia)
প্রাকৃতিক বিস্তার - ইউরোপ, আমেরিকা, এশিয়া।
উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য -
  • বর্ষজীবী এবং আংশিক বা সম্পূর্ণ নিমজ্জিত উদ্ভিদ।
  • পাতা ধনুকাকৃতির।
  • ফুলের রঙ সাদা ও তিনটি পাপড়ি বিশিষ্ট।
  • বীজের দ্বারা বংশবিস্তার করে।

ক্যাবোমবা্ বা ওয়াটার ম্প্রাইট (Cabomba or Water sprite) :
বিজ্ঞানসম্মত নাম - ক্যাবোমবা্ অ্যাকোয়াটিকা(Cabomba Aquatica)
প্রাকৃতিক বিস্তার - উত্তর আমেরিকা।
উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য -
  • পাতা খুব নরম ও মসৃণ প্রকৃতির।
  • পাতার বর্ণ হালকা সবুজ হয়।
  • ফুলের রঙ হলুদ বা হালকা লাল হয়। বৃন্ত ক্ষুদ্রাকার হয়।
  • রাইজোম থাকে।
  • অঙ্গজ জনন পদধ্যতিতে বংশবিস্তার করে।

ভ্যালিসনেরিয়া(Eel Grass)
বিজ্ঞানসম্মত নাম - ভ্যালিসনেরিয়া প্রজাতি(Vallisneria Sp.)
প্রাকৃতিক বিস্তার - উষ্ণ মণ্ডলীয় ও উপ-উষ্ণ মণ্ডলীয় উদ্ভিদ।
উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য -
  • জলে নিমজ্জিত উদ্ভিদ।
  • পাতা লম্বা ও ফিতাকৃতির।
  • পাতার বর্ণ সবুজ ও পাতার অগ্রভাগ জলের উপর ভাসে।
  • পুরুষ ও স্ত্রী গাছ পৃথক হয়।

লুডুইগিয়া(Lance leaf plant)
বিজ্ঞানসম্মত নাম - লুডুইগিয়া প্রজাতি(Ludwigia Sp.)
প্রাকৃতিক বিস্তার - ইউরোপ, আমেরিকা, আফ্রিকা ও এশিয়া।
উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য -

  • বর্ষজীবী উদ্ভিদ।
  • পাতা নরম কাণ্ডের দুই পাশে পরিবর্ত পদধ্তিতে বিন্যস্ত থাকে।
  • ফুল ক্ষুদ্রাকার।
  • ফুলের রঙ হলুদ অথবা সবুজ।

আমাজন সোর্ড(Amazon Sword)
বিজ্ঞানসম্মত নাম - ইকাইনোডোরাস অ্যামাজোনিকাশ(Echinodorus Amazonicus)
প্রাকৃতিক বিস্তার - দক্ষিণ আমেরিকা।
উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য -
  • একবীজপত্রী উদ্ভিদ।
  • পাতা ফিতাকৃতির।
  • কাণ্ডের পর্ব থেকে গুচ্ছাকারে পাতা বের হয়।
  • ফুলের রঙ সাদা। বৃন্ত থাকে।
  • মূল মাটিতে আবদধ্ থাকে।

ওয়াটার মিলিফয়েল(Water Milifoil)
বিজ্ঞানসম্মত নাম - মাইরিওফাইলাম প্রজাতি(Myriophyllum Sp.)
প্রাকৃতিক বিস্তার - পৃথিবীর প্রায় সবদেশে পাওয়া যায়।
উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য -
  • নিমজ্জিত বা আংশিক নিমজ্জিত উদ্ভিদ।
  • পাতা কাণ্ডের দুই পাশ বরাবর বিন্যস্ত থাকে।
  • অঙ্গজ জনন পদধ্তিতে(স্টেম কাটিং) বংশবিস্তার করে।

কচুরিপানা(Water Hyacinth)
বিজ্ঞানসম্মত নাম - আইকোরানিয়া ক্রাসিপাস(Eichhornia Crassipes)
প্রাকৃতিক বিস্তার - আমাজন বেসিন।
উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য -
  • এটি জলের উপরিভাগে ভাসমান অবসথা্য় থাকে।
  • এটির পাতা চওড়া, মোটা ও চকচকে হয়।
  • হালকা বেগুনি রঙের ফুল ফোটে।
  • এদের লমবা্, ফাঁপা, ম্পঞ্জের মতো ফোলা কাণ্ড দেখা যায়।

হাইড্রিলা(Hydrilla)
বিজ্ঞানসম্মত নাম - হাইড্রিলা প্রজাতি(Hydrilla Sp.)
প্রাকৃতিক বিস্তার - ইউরোপ ও এশিয়া।
উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য -
  • এটি সাধারণত জলের উপরিতলে থাকে।
  • এর পাতাগুলি বেলেডের মতো সুচালো হয়।
  • তাজা অবস্থায় পাতার মাঝখানটা লালচে রঙের হয়।


ক্রিপটোকোরিন(Cryptocoryne)
বিজ্ঞানসম্মত নাম - ক্রিপটোকোরিন প্রজাতি(Cryptocoryne Sp.)
প্রাকৃতিক বিস্তার - ইউরোপ ও এশিয়া।
উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য -
  • এটি গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ।
  • পাতাগুলো কালচে সবুজ থেকে বাদামি রঙের হয়।
  • পাতার নিচের দিকটা লালচে রেখা যুক্ত।
  • এটি নিমজ্জিত প্রকৃতির জলজ উদ্ভিদ।

ব্রাক্ষী(Waterhyssop)
বিজ্ঞানসম্মত নাম - ব্যাকোপা মনিয়েরি(Bacopa Monnieri)
প্রাকৃতিক বিস্তার - দক্ষিণ ও পূর্ব  ভারতে, অষ্ট্রেলিয়া, এশিয়া, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা।
উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য -
  • এর পাতাগুলি উজ্জ্বল সবুজ রঙের হাওয়ার জন্য এটি অ্যাকোয়ারিয়াম উদ্ভিদ হিসেবে যথেষ্ট আকর্ষণীয়।
  • এরা সম্পূর্ণ বা আংশিক নিমজ্জিত প্রকৃতির।

টোপা পানা(Water Letus)
বিজ্ঞানসম্মত নাম - প্রিসটিয়া স্ট্রেটিওটস(Pristia Stratiotes)
প্রাকৃতিক বিস্তার - এশিয়া।
উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য -
  • এটি Araceae পরিবার ভুক্ত জলের উপর ভাসমান শ্রেণীর গাছ।
  • এই গাছগুলির শিকড় ভাসমান হওয়ার জন্য ডিম ছাড়া ও বাচ্চা মাছের আশ্রয় হিসাবে ব্যবহার করা যায়।

ডাকউইড(Duckweed)
বিজ্ঞানসম্মত নাম - লিমনা পারপুশিলা ও স্পাইরোডিলা পলিরাইজা(Lemna Perpusila & Spriodela Polyrhiza)
প্রাকৃতিক বিস্তার - এশিয়া।
উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য -
  • ভাসমান ছোট সবুজ পানা।
  • পাতার নীচে একটি করে শিকড় থাকে।
  • পাতার তলার রঙ লালচে বা মেরুন হয়।
  • একাধিক পাতা stolon দ্বারা যুক্ত থাকে।

সূচীগ্রাস (Hair Grass)
বিজ্ঞানসম্মত নাম - ইলিওকারিস প্রজাতি(Eleocharis Sp.)
প্রাকৃতিক বিস্তার - এশিয়া।
উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য -
  • গভীর জলের ধানক্ষেত ও তার আসে পাশের জলাভূমিতে জন্মায়।
  • নিমজ্জিত অবস্থায় root stock এর উপর থেকে সাধারণত 50-100 সে.মি. পযর্ন্ত লম্বা এক গোছা সবুজ ও মোটা সুতোর মত ভাসমান পাতা যুক্ত অবস্থায় দেখা যায়।
  • মাঠের জল শুকিয়ে আসার সময় এই পাতাগুলো পচে যায় এবং তখনই এই গাছের root stock থেকে scirpus articulates এর মতো গোল ডাঁটির কান্ড জন্মায়।
  • সরুপাতা যুক্ত এই গাছগুলো হেয়ারগ্রাস বা সূচিঘাস নামে পরিচিত।
  • এগুলি অ্যাকোরিয়ামে বৈচিত্র্য আনে এবং এর ঘন পাতার ঝাড় ছোট মাছের অত্যন্ত প্রিয় আশ্রয়স্থল।
  • এটি ভাসমান উদ্ভিদ।

শালুক (Water Lily)
বিজ্ঞানসম্মত নাম - নিমফিয়া প্রজাতি(Nymphaea Sp.)
প্রাকৃতিক বিস্তার - এশিয়া।
উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য -
  • শালুক বা শাপলা খুবই সহজ লভ্য।
  • পুকুর, ডোবা ইত্যাদি জলাশয়ে জন্মায়।
  • শালুক সাদা, লাল, নীল, হলুদ ও বেগুনি রঙের হয়।
  • বীজ থেকে চারা হওয়া ছাড়াও শিকড় থেকেও নতুন গাছের জন্ম হয়।
  • সৌন্দর্য বৃদ্ধিতেও বিশেষত রোদে রাখা জলাধারে বা চৌবাচ্চায় ব্যবহার করা হয়।।



মৎস চাষ বিষয়ে বিষদ জানতে আমার YOUTUBE CHANNEL অনুসরণ করুন।